আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগের (এপিএল) আসন্ন আসরের খেলোয়াড় ড্রাফট থেকে বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটার ফ্র্যাঞ্চাইজি পেয়েছেন। তাঁরা হলেন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান, পেসার নাহিদ রানা ও ব্যাটার শামীম হোসেন। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ড্রাফটে তাঁদের আলাদা তিনটি দলে নেওয়া হয়েছে।
তিন ক্রিকেটারের দল
| ক্রিকেটার | ক্যাটাগরি | দল |
|---|---|---|
| সাকিব আল হাসান | ডায়মন্ড | নানগারহার কসমিক |
| নাহিদ রানা | ডায়মন্ড | পাক্তিয়া |
| শামীম হোসেন | গোল্ড | অ্যাকসেল ইউনাইটেড কাবুল |
৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ড্রাফটে ডায়মন্ড ক্যাটাগরি থেকে নাহিদ রানাকে দলে নেয় পাক্তিয়া। একই ক্যাটাগরিতে থাকা সাকিবকে বেছে নেয় নানগারহার কসমিক। গোল্ড ক্যাটাগরি থেকে শামীমকে নিয়েছে অ্যাকসেল ইউনাইটেড কাবুল।
ড্রাফটে বাংলাদেশের অন্যরা
এপিএলের পাঁচ ক্যাটাগরিতে মোট ৪৬২ জন ক্রিকেটার নাম লিখিয়েছিলেন। প্লাটিনাম, ডায়মন্ড, গোল্ড, সিলভার ও ইমার্জিং—এই পাঁচ স্তরের ড্রাফটে বাংলাদেশের আরও বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার ছিলেন। তবে তাঁদের কেউ দল পাননি।
- লিটন দাস ও তাওহিদ হৃদয়
- শরিফুল ইসলাম, মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ
- তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও রিশাদ হোসেন
- মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, হাসান মাহমুদ ও জাকের আলী
- শেখ মেহেদী হাসান, তাইজুল ইসলাম ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন
এ ছাড়া বাংলাদেশের আরও কয়েকজন ক্রিকেটার ড্রাফটে ছিলেন। তাঁদের নাম দল পাওয়া খেলোয়াড়দের তালিকায় নেই।
পাঁচ দল নিয়ে আসর
নতুন কাঠামোয় পাঁচটি দল নিয়ে এপিএল আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। দলগুলো হলো পাক্তিয়া, নানগারহার, কাবুল, বাল্খ জওয়ান ও কান্দাহার ওয়ারিয়র্স। টুর্নামেন্টটি ২৭ ডিসেম্বর শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
আসরটির আনুষ্ঠানিক ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে আফগানিস্তানের বদলে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পুরো টুর্নামেন্ট আয়োজনের সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে।
আগের আসরের অভিজ্ঞতা
আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ২০১৮ সালে প্রথমবার এপিএল চালু করেছিল। ক্রিস গেইল, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও শহীদ আফ্রিদির মতো টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের পরিচিত তারকারা সেই আসরে খেললেও প্রতিযোগিতাটি এক মৌসুমের বেশি চলেনি। পারিশ্রমিক নিয়ে বিরোধ এবং আয়োজনের স্বচ্ছতা নিয়ে তৈরি হওয়া সংশয়ের পর টুর্নামেন্টটি বন্ধ হয়ে যায়।