বৈশিষ্ট্য ও জীবনের সংক্ষিপ্ত রূপ
সমকালীন বাংলা কবিতার একজন প্রতিষ্টিত কণ্ঠ, বিমল গুহ ১৯৫২ সালের ২৭ অক্টোবর চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বাজালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর কবিতা স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের কাব্যচেতনা ও ভাষার গঠনকে গুরুত্বপূর্ণভাবে প্রভাবিত করেছে বলে সাহিত্যজগতের শ্রেণিভুক্ত উৎসগুলোয়ে দেখা যায়।
শিক্ষা ও কর্মজীবন
পেশাগত জীবনে বিমল গুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা সংস্থার পরিচালক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৫ সালে তিনি অবসরে যান। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিকেশন স্টাডিজ বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে যুক্ত এবং ঐ বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা ও স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে পরিচিত।
লেখালেখি ও প্রকাশনা
বিমল গুহের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ছিল ‘অহংকার, তোমার শব্দ’, যা প্রকাশিত হয় ১৯৮২ সালে। মোট প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা সংবাদে উল্লেখ অনুযায়ী ৪৭টি, যার মধ্যে ১৮টি কাব্যগ্রন্থ এবং ৮টি কিশোরকাব্য। ২০২২ সালে করোনাকালের কবিতা নিয়ে প্রকাশিত ‘এ কোন মাতাল নৃত্য’ তাঁর কাব্যভাবনায় নতুনতর একটি মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং একই বছরে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর আত্মজীবনী ‘ধলপ্রহরের আলো’।
- প্রথম কাব্যগ্রন্থ: ‘অহংকার, তোমার শব্দ’ (১৯৮২)
- মোট প্রকাশিত গ্রন্থ: ৪৭টি
- কাব্যগ্রন্থ: ১৮টি, কিশোরকাব্য: ৮টি
- নবীবর্ষক ও সাময়িকী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ: কলকাতা, দিল্লি, লন্ডন, এডিনবরা, নেব্রাস্কা, নিউইয়র্ক
সম্মাননা ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি
লেখনীর ব্যবস্থাপনায় বিমল গুহ নানা পুরস্কার ও স্বীকৃতি পেয়েছেন। সংবাদে বলা হয়েছে তিনি পেয়েছেন বাংলাদেশ পরিষদের জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ তরুণ কবির সম্মাননা, বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব সাহিত্য পুরস্কার, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার এবং সার্ক সাহিত্য পুরস্কার। তার কবিতা বাংলাদেশের বাইরেও অনূদিত হয়েছে এবং বিভিন্ন ভাষাভাষী পাঠকমণ্ডলে সমাদৃত।
| বিবরণ | সংখ্যা / তথ্য |
|---|---|
| জন্ম | ২৭ অক্টোবর ১৯৫২, বাজালিয়া, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম |
| প্রকাশিত গ্রন্থ | ৪৭টি (কাব্য ১৮টি, কিশোরকাব্য ৮টি) |
| প্রথম কাব্যগ্রন্থ | ‘অহংকার, তোমার শব্দ’ (১৯৮২) |
| আবসর | ২০১৫ |
ভ্রমণ ও পাঠাভিনিবেশ
বিমল গুহ আমন্ত্রিত কবি হিসেবে অংশ নিয়েছেন কলকাতা, দিল্লি, লন্ডন, এডিনবরা, নেব্রাস্কা ও নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাহিত্য অনুষ্ঠানে; বাংলাদেশের বাইরে তাঁর কবিতাও অনূদিত হয়েছে, যা তাঁর কাব্যকর্মের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার সাক্ষ্য বহন করে।
বিমল গুহের কাব্যে চিত্রকল্প, উপমা ও রূপকের সার্থক ব্যবহারে মানুষের স্বপ্ন ও জীবনবাস্তবতা উপস্থিত থাকে; তাঁর কবিতা সমাজ, সংস্কৃতি ও জাতিসত্তার নানা দিককে স্বতন্ত্র শিল্পভাষায় উপস্থাপন করে—এই বিষয়গুলো সংবাদে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিষয়ভিত্তিক তথ্যাদি দৈনিক এদিনের সংবাদ থেকে সংগৃহীত।