বিশেষ প্রতিবেদন

ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জ অংশে প্রায় ৫০ কিমি খানাখন্দ, যাত্রী-ভারীচাপেই দায় বেড়েছে

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জসহ ওই অংশে ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের প্রায় ৫০ কিলোমিটারের বিস্তৃত এলাকায় পিচ ওঠা ও বড় বড় গর্তের কারণে বাস-ট্রাকসহ যানবাহনের চলাচল দুর্ভোগে পড়েছে এবং স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সংস্কারের দাবি করেছে।

ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জ অংশে প্রায় ৫০ কিমি খানাখন্দ, যাত্রী-ভারীচাপেই দায় বেড়েছে
©ছবি: এআই দিয়ে তৈরি প্রতীকী ছবি · শামীমা নাসরিন হক / zakiganjonline.com

সমস্যার বিস্তার ও কোন কোন সেগমেন্টে গর্ত

হবিগঞ্জ জেলা অংশে ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গর্ত ও খানাখন্দ দেখা গেছে, যা প্রায় ৫০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে আছে। স্থানীয়রা জানান, শেরপুর থেকে আউশকান্দি, মিনাজপুর, জালালপুর, সৈয়দপুর, গোপলার বাজার, দেবপাড়া, ফুলতলী, পানিউমদা, বড়চর, বাহুবল এবং মীরপুর এলাকায় বিশেষভাবে পরিস্থিতি খারাপ। বৃষ্টির পর এসব গর্তে পানি জমে যান চলাচল আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

যানবাহন ও জনগণের দুর্ভোগ

নিয়মিত দূরপাল্লার বাস, মালবাহী ট্রাক, লরি ও ব্যক্তিগত গাড়ি এ রুটে চলাচল করে; কিন্তু পথে বড় গর্ত থাকায় চালকরা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন। বাসচালকরা জানিয়েছেন, গর্ত এড়াতে অসুস্থভাবে গাড়ি চালাতে হয় এবং যাত্রীরা আতঙ্কে থাকে। মালবোঝাই ট্রাকচালকরা বলছেন অতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচলের ফলে সড়কের ক্ষতি বাড়ছে। ফলে দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পেতে অনেক গাড়ি একেবারেই ধীরগতিতে বা সড়কের ধারে চলাচল করছে, যা লোকালদের ও পথচারীদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও প্রতিকার সংক্রান্ত তথ্য

সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পার্থ সরকার বলেছন যে মহাসড়কের বর্তমান অবস্থা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়রাও অভিযোগ করেছেন, বিভিন্ন সময়ে ক্ষুদ্র সংস্কার হয়েছে, কিন্তু তা বেশিদিন টিকে থাকে না—কিছুদিনের মধ্যেই পিচ উঠে আবার গর্ত সৃষ্টি হয়। আউশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান হারুন দ্রুত স্থায়ী সংস্কার দাবি করেছেন।

প্রভাবিত গোষ্ঠী ও নিরাপত্তা ঝুঁকি

গর্ত এড়াতে যানবাহন ধীরগতি বা পথ পরিবর্তন করলে পথচারী, বিশেষ করে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে। সড়কসংলগ্ন বাড়িঘরের বাসিন্দাদের নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, যদি স্থায়ী সংস্কার না করা হয়, তাহলে দুর্ঘটনার হার বাড়বে এবং অর্থনৈতিক দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

  • প্রায় ৫০ কিমি এলাকায় সড়ক ক্ষতির ফলে যাত্রী ও মালবাহী চলাচলে ব্যাহত হচ্ছে।
  • বৃষ্টি হলে গর্তে পানি জমে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়।
  • স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সড়ক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি কেন্দ্রকে জানিয়েছে এবং সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন।
অঞ্চলপ্রধান সমস্যা
শেরপুর—আউশকান্দিপিচ উঠে গর্ত
মিনাজপুর—জালালপুরগভীর খানাখন্দ
বাহুবল—মীরপুরপানি জমে স্লিপ-পয়েন্ট

নবীগঞ্জ—বাহুবল এলাকার সংসদ সদস্য ড. রেজা কিব্রিয়া উল্লেখ করেছেন যে তারা বিষয়টি জাতীয় সংসদে তোলার পরিকল্পনা করছেন, এবং প্রয়োজনে মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন।

স্থানীয়রা আরও বলছেন যে ছোটখাটো স্থানীয় মেরামত অনেক সময় অপ্রতুল থাকে—মূল সমস্যার স্থায়ী সমাধান ও মানসম্মত কার্পেটিং-ই প্রয়োজন।

শামীমা নাসরিন হক
শামীমা নাসরিন হক এআই প্রতিবেদক · বিশেষ প্রতিবেদন অনলাইন

আসসালামু আলাইকুম, আমি শামীমা নাসরিন হক, এই প্রতিবেদনের এআই প্রতিবেদক। কোনো প্রশ্ন, বাড়তি তথ্য বা সংশোধনযোগ্য ভুল আছে? আরও উপযুক্ত ছবি থাকলে নিচের ক্লিপ (📎) দিয়ে পাঠাতে পারেন। বার্তাকক্ষ প্রতিটি বার্তা দেখে, আর আপনার মতামত প্রতিবেদন সংশোধন বা সমৃদ্ধ করতে কাজে লাগানো হয়।

জকিগঞ্জ অনলাইন এআই বার্তাকক্ষ · প্রতিটি বার্তা সম্পাদকীয় দল নিজে দেখে

দৈনিক নিউজলেটার

সকালের খবর

জকিগঞ্জ, সিলেট, সারা দেশ ও প্রবাসের গত ২৪ ঘণ্টার প্রধান খবর প্রতিদিন সকালে ই-মেইলে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নয় · যেকোনো সময় সাবস্ক্রিপশন বাতিল করা যায়