নতুন নিয়মের সারসংক্ষেপ
২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে হোয়াটসঅ্যাপে সিম-বাইন্ডিং নীতি বাধ্যতামূলক করার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এর ফলে যে নম্বরটি দিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে, সেই নম্বরের সিমকার্ড ফোনে উপস্থিত না থাকলে হোয়াটসঅ্যাপ চালাতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
কীভাবে সমস্যা এড়ানো যাবে
অফিশিয়াল নির্দেশিকা অনুযায়ী, যাদের ফোনে ব্যবহার করা নম্বরের সিম নেই তাঁদের সামনে তিনটি বিকল্প রয়েছে—নম্বর পরিবর্তন, ই-সিম রূপান্তর এবং হোয়াটসঅ্যাপের সংযুক্ত ডিভাইস ফিচার।
- নম্বর পরিবর্তন: হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপের সেটিংসে গিয়ে অ্যাকাউন্ট > নম্বর পরিবর্তন অপশন ব্যবহার করে পুরোনো নম্বর থেকে নতুন (ফোনে থাকা) নম্বরে অ্যাকাউন্ট স্থানান্তর করা যাবে; এতে চ্যাট ও কনট্যাক্ট সংরক্ষণ থাকবে।
- ই-সিম ব্যবহার: যদি বর্তমান ফোনে একমাত্র ফিজিক্যাল সিম স্লট থাকে, তাহলে সেই নম্বরটি ই-সিম হিসেবে চালু করে ফোনেই রাখলে সিম-বাইন্ডিং শর্ত পূরণ হবে; অপারেটরের মাধ্যমে ই-সিম চালু করিয়ে নেওয়া যায়।
- সংযুক্ত ডিভাইস ফিচার: হোয়াটসঅ্যাপের মাল্টি-ডিভাইস সাপোর্ট (সংযুক্ত ডিভাইস) ব্যবহার করে অন্য ডিভাইসগুলোতে অ্যাকাউন্ট যুক্ত রেখে মূল ফোন অনলাইন না থাকলেও বার্তা পাঠানো-গ্রহন সম্ভব থাকতে পারে।
নম্বর পরিবর্তনের ধাপ
নির্দেশিকার প্রদত্ত ধাপটি হলো: হোয়াটসঅ্যাপ খুলে Settings > Account > Change Number অপশনটি নির্বাচন করে পুরোনো ও নতুন নম্বর বসিয়ে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে; এতে চ্যাট হোয়াটসঅ্যাপে সংরক্ষণ থাকবে এবং কনট্যাক্টদের নোটিফিকেশন যাবে।
কারা লক্ষ্য করবেন
যারা এক নম্বর ও এক ফোন আলাদা ডিভাইসে রাখেন, সেগুলো সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হবে। একই সঙ্গে ডিভাইস-উপাত্তে সীমিত ই-সিম সমর্থন থাকা ব্যবহারকারীদের ব্যবস্থা নেয়া দরকার হতে পারে।
তফসিল ও প্রযুক্তিগত দিক
| বিষয় | সংক্ষেপ |
|---|---|
| প্রযোজ্য তারিখ | ১ জানুয়ারি ২০২৭ |
| প্রভাবিত ব্যবহারকারী | ফোনে সংশ্লিষ্ট নম্বরের সিম না থাকা ব্যবহারকারী |
| প্রস্তাবিত সমাধান | নম্বর পরিবর্তন, ই-সিম রূপান্তর, সংযুক্ত ডিভাইস |
উল্লেখ্য, একটি বিকল্প হিসেবে সংযুক্ত ডিভাইস ফিচার ব্যবহার করলে মূল ফোনে সিম না থাকলেও নির্দিষ্ট শর্তে কোনো ডিভাইস থেকে বার্তা পাঠানো ও নেওয়া সম্ভব থাকবে।
স্থানীয় প্রভাব
মোবাইল অপারেটরের কাছে ই-সিম সেবা ও সেট-আপ সংক্রান্ত তথ্য জেনে রাখা ব্যবহারকারীদের জন্য সহায়ক হবে।