সচিবালয়ে সাক্ষাৎ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬) সকাল/বিকালের তার নিজ অফিসকক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউইন-কে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উভয়পক্ষ দুই দেশের সম্পর্ক, আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেন। (সূত্র: আরটিভি অনলাইন, ঢাকা পোস্ট)
দুই দেশের সম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা
“চীন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও কৌশলগত অংশীদার।” — স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠকে বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ব্যাপারে মন্তব্য রেখে বলেন, আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের মধ্যকার সুসম্পর্ক আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বৈঠকে দুদেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করা এবং আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর দিকগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। (সূত্র: আরটিভি অনলাইন, ঢাকা পোস্ট)
চীনের প্রতিশ্রুতি
সাক্ষাৎকালে ঢাকায় নিযুক্ত চীনা চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউইন বাংলাদেশ পুলিশের প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন, প্রশিক্ষণ এবং সামগ্রিক ক্ষমতা বৃদ্ধিতে চীন সরকারের সহায়তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি উভয়পক্ষের মধ্যে নিরাপত্তা ও আইনি সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলোতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। (সূত্র: ঢাকা পোস্ট)
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ ও ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, যা দুই দেশের প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ের সম্পর্কের গুরুত্ব প্রতিফলিত করে। (সূত্র: আরটিভি অনলাইন)
- বৈঠকের তারিখ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬
- স্থান: সচিবালয়, ঢাকা
- উপস্থিতি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, চীনা চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুটি দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা খাতের সহায়তা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে চীনের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিষয়ে যৌথভাবে আগ্রহ ব্যক্ত করা হয়। বৈঠকে প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও সামগ্রিক সামর্থ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা উন্নয়নের সম্ভাব্য ক্ষেত্রে চীনের সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়। (সূত্র: ঢাকা পোস্ট, আরটিভি অনলাইন)
বৈঠকের শেষে অংশগ্রহণকারীরা দুই দেশের মধ্যে বিবিধ সহায়তা ও যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন এবং প্রাসঙ্গিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ধারাবাহিক সম্পর্ক জোরদারের নীতিগত সমাধানগুলো অনুসন্ধানের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। সাক্ষাৎকারের বিষয়ে মন্ত্রণালয় বা দূতাবাস থেকে পাওয়া আনুষ্ঠানিক বিবরণীতে উক্ত বিষয়গুলোর উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। (সূত্র: আরটিভি অনলাইন)
| বিষয় | বর্ণনা |
|---|---|
| সাক্ষাতকারের দিন | ২৭ অক্টোবর ২০২৬ |
| প্রধান বক্তব্য | চীনকে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ |