অভিযান ও গ্রেপ্তার
হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকা সংলগ্ন মধুমতী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে মো. আরিফ মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। অভিযানটি সন্ধ্যা ১৯:৩০ মিনিটের দিকে করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে। অভিযানে এসআরবি (স্পেশাল রেসপন্স রোভার) এবং জেলা প্রশাসনের যৌথ দল অংশ নেয়।
অভিযোগ ও বৈধতা যাচাই
আটকের সময় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল—অন্য এক চিকিৎসকের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে রোগীদের কাছে প্রেসক্রিপশন প্রদান এবং কার্যক্রম পরিচালনা করা। অভিযানকালে তিনি তার চিকিৎসাগত যোগ্যতা বা চিকিৎসাসেবা দেওয়ার বৈধতার পক্ষে প্রয়োজনীয় জুমলাপত্র দেখাতে পারেননি বলে অভিযানের সঙ্গে যুক্তরা জানিয়েছেন।
“অন্য এক চিকিৎসকের নাম ব্যবহার করে প্রেসক্রিপশন প্যাডের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগে আরিফ মিয়ার বিষয়ে আগে থেকেই তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। ওই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।” — ক্যাপ্টেন মোশারফ, এসআরবি
প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা
আটককৃত আরিফ মিয়াকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে শাস্তি না দিয়ে নিয়মিত মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল নাদরুন বিন আকন জানান, আইন অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত চলবে।
স্বাস্থ্যবিভাগ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মন্তব্য
হবিগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. শরীফ মো. সানজিদ জামান আদনান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছে এবং কীভাবে ওই ব্যক্তি সেন্টারে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল তা খতিয়ে দেখতে সিভিল সার্জনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোগী নিরাপত্তা ও তদন্তের পরবর্তী ধাপ
- আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বিষয়টি হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
- মধুমতী ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্তৃপক্ষ ও সেন্টার পরিচালনার প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার জন্য জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জনের মধ্যে সমন্বয় করে তদন্ত চলবে।
| ঘটনার স্থান | মধুমতী ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শায়েস্তানগর, হবিগঞ্জ শহর |
|---|---|
| গ্রেপ্তার করা ব্যক্তি | মো. আরিফ মিয়া |
| অভিযানকারী | এসআরবি ও জেলা প্রশাসন |
| প্রতিষ্ঠান স্বরূপ | ডায়াগনস্টিক সেন্টার |
প্রতিষ্ঠান ও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চলমান তদন্ত ও আইনানুগ কার্যক্রমের ফলাফল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা কার্যকর করবেন, এবং এ ধরনের ভুয়া চিকিৎসা প্রদানের বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে।