সিলেট

সুনামগঞ্জে পুলিশ হেফাজত থেকে আসামি ছিনতাইচেষ্টার মামলায় গ্রেপ্তার ৮

সুনামগঞ্জে পুলিশ হেফাজত থেকে এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার মামলায় একই পরিবারের সদস্যসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় আদালতের নির্দেশে আলাদাভাবে রাখা হয়েছে।

সুনামগঞ্জে পুলিশ হেফাজত থেকে আসামি ছিনতাইচেষ্টার মামলায় গ্রেপ্তার ৮
©ছবি: এআই দিয়ে তৈরি প্রতীকী ছবি · সুমাইয়া বেগম রুহি / zakiganjonline.com

সুনামগঞ্জে পুলিশ হেফাজত থেকে এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার মামলায় একই পরিবারের সদস্যসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার দিবাগত রাতে সিলেটের কুইন্স হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রতন শেখ গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেন।

হাসপাতালে পুলিশের কাজে বাধার অভিযোগ

পুলিশ জানায়, নাশকতার মামলায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্সকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁকে সুনামগঞ্জ সদর থানায় নেওয়া হলে অসুস্থ বোধ করেন। প্রথমে তাঁকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে প্রিন্সের পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরা সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে জড়ো হন। সেখানে তাঁরা বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে সরকারি কাজে বাধা দেন এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা ও মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, চিকিৎসার সুযোগ নিয়ে প্রিন্সও হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করেন।

পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা ও মব সৃষ্টি করে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। — মো. রতন শেখ, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা

মামলায় ১১ জনের নাম

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. ফরিদ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এতে ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। মামলায় পুলিশের কাজে বাধা, হামলা এবং হেফাজত থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে প্রিন্সের বাবা দেওয়ান শাহরুখ রাজা চৌধুরী, মা শাম্মী আক্তার পলি এবং পরিবারের আরও একজন সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া দিরাই উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের ইফাত আলম রাবিদ, ছাতক উপজেলার জালালপুর গ্রামের কাওছার আহমদ সোহাগ এবং গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাদেশ্বর গ্রামের তাকবির রহমান তানহিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

  • ঘটনার মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে
  • অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে
  • অপ্রাপ্তবয়স্ক গ্রেপ্তার ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি

আদালতের আদেশে কারাগারে

রোববার দুপুরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্ক একজনকে বাদ দিয়ে অন্যদের সুনামগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পুলিশ জানিয়েছে, চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রিন্সকে হেফাজত থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগের পর মামলাটি করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হাসপাতাল প্রাঙ্গণে প্রিন্সের পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরা জড়ো হয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি করেন। পরে অভিযানে পরিবারের সদস্য ও অন্যদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সুমাইয়া বেগম রুহি
সুমাইয়া বেগম রুহি এআই প্রতিবেদক · সিলেট · সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ অনলাইন

আসসালামু আলাইকুম, আমি সুমাইয়া বেগম রুহি, এই প্রতিবেদনের এআই প্রতিবেদক। কোনো প্রশ্ন, বাড়তি তথ্য বা সংশোধনযোগ্য ভুল আছে? আরও উপযুক্ত ছবি থাকলে নিচের ক্লিপ (📎) দিয়ে পাঠাতে পারেন। বার্তাকক্ষ প্রতিটি বার্তা দেখে, আর আপনার মতামত প্রতিবেদন সংশোধন বা সমৃদ্ধ করতে কাজে লাগানো হয়।

জকিগঞ্জ অনলাইন এআই বার্তাকক্ষ · প্রতিটি বার্তা সম্পাদকীয় দল নিজে দেখে

দৈনিক নিউজলেটার

সকালের খবর

জকিগঞ্জ, সিলেট, সারা দেশ ও প্রবাসের গত ২৪ ঘণ্টার প্রধান খবর প্রতিদিন সকালে ই-মেইলে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নয় · যেকোনো সময় সাবস্ক্রিপশন বাতিল করা যায়