ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
জকিগঞ্জ পৌরসভার পঙ্গবট গ্রামে পরিবারের সদস্যদের ওপর লাঠি নিয়ে হামলার ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পিয়ারা বেগম (৬৩) মারা গেছেন। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৫ অক্টোবর ২০২৬ মধ্যরাতে তিনি নিহত হন, অভিযোগে পরিবারের লোকেরা জানান ঘটনায় আরও চারজন গুরুতর আহত হন এবং প্রধান অভিযুক্ত ছেলে সুমন আহমদ (৩২)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আহত ও মামলা
পুলিশ ও পরিবারের বর্ণনা অনুযায়ী কেনাকাটা বা যৎসামান্য ঝামেলা ছিল না—বিবাদ ছিল বাড়ির জায়গা-সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দেওয়া এবং নেশার টাকার দাবিকে কেন্দ্র করে। ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে জকিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন, সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেলে পাঠানো হয়।
| নাম | বয়স | অবস্থা |
|---|---|---|
| পিয়ারা বেগম | ৬৩ | মধ্যরাতে (২৫ অক্টোবর ২০২৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু |
| কুটিনা বেগম (সৎমা) | ৪৫ | চোখে গুরুতর আঘাত |
| শাহীন আহমদ | ৩৮ | আহত |
| শাহিনা বেগম (শাহীনের স্ত্রী) | ৩২ | আহত, অবস্থাআশঙ্কাজনক |
| ইসরাত জাহান (ভাতিজি) | ২.৫ বছর | আহত |
পুলিশের কর্মকাণ্ড
জকিগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত সুমন আহমদকে তার বসতঘর থেকে গ্রেপ্তার করে। জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, পিয়ারা বেগমের মৃত্যুর পর মামলায় হত্যা সংক্রান্ত ধারাও যুক্ত করা হবে এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতে স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে।
পাশাপাশি দায়ের করা অভিযোগ
পিয়ারা বেগমের ছেলে শাহীন আহমদ বাদী হয়ে এই ঘটনার বিষয়ে সুমন আহমদ ও অপর ভাই শামীম আহমদকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন। বাদীর বক্তব্যে বলা হয়েছে, কয়েক দিন ধরে সুমন নেশার টাকার জন্য এবং জায়গা-সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দেওয়ার দাবিতে পরিবারের সদস্যদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছিলেন এবং ধাক্কা-ঠেলায় শেষ পর্যন্ত শুক্রবার থেকে শুরু করে শনিবার-রাতে একই দাবি ও তর্কের পর লাঠিপেটার ঘটনা ঘটে।
- আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়।
- স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়েছিলেন।